ভাড়াটে কবি
নীল
একটু বুঝতে চেষ্টা করেন,
এখন আমি কবিতা লেখার মুডে নেই।
দেখতে পাচ্ছেন না,
শত চেষ্টা করছি, খাতার পাতা শেষ হচ্ছে,
মাথার চুল টানছি, কলমের নিপ ভাংছে।
তবুও পারছিনা! আপনি বরং আমাকে পেমেন্টটা করে দিন,
আমি কালই আপনাকে কবিতাটা লিখে দিব।
লেখকের জায়গায় আপনার নাম থাকবে নিশ্চিত,
ইহা ভুল হইবার নয়"।
"অনেক বুঝেছি, আর পারবো না।
তুমি বেটা ফন্দিবাজ,
তুমি বেটা ফন্দিবাজ,
যে কবিতা আমার জন্যে লিখা, বিনোদের জন্য কিনা সেই একই কবিতা!
কি ঝামেলায় পরেছি তোমার জন্য তার খেয়াল আছে?
ঠিক আছে,
কি ঝামেলায় পরেছি তোমার জন্য তার খেয়াল আছে?
ঠিক আছে,
আমি যাচ্ছি, অন্য কাউকে দিয়ে লেখিয়ে নেবো।
তোমার কাছে আর হচ্ছে না"!
"প্লীজ, এমন করে বলবেন না।
ছেলেটার খুব অসুখ করেছে,
ছেলেটার খুব অসুখ করেছে,
রান্না-বান্না নেই আজ তিনদিন হলো,
বউ বকে একদিকে,
অন্যদিকে প্রকাশক ফিড়িয়ে দিচ্ছে,
আমি নাকি লেখায় আনাড়ি !
বউ বকে একদিকে,
অন্যদিকে প্রকাশক ফিড়িয়ে দিচ্ছে,
আমি নাকি লেখায় আনাড়ি !
তাই এখন আপনি কবিতার প্যামেন্টটা না করলে............."
"না হলে কি"?
"আচ্ছা, এই নিন বাবু আপনার কবিতা।
আর একটু,
আর একটু,
আপনার নামটা লিখতে ভুলে গেছি! আর হবেনা।
অগ্রকান্ত ( কোনো এক বিখ্যাত কবি )"।
"এই নাউ, এবার খুশি?
তুমি বাপু পাড় বটে!"
"আপনাদের দয়া"।
"আপনাদের দয়া"।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন